রাজ্য সরকারি প্রকল্প ব্যবসা প্রযুক্তি টেলিকম চাকরির খবর অর্থনীতি স্কলারশিপ
Advertisements

General Knowledge: ভারতের জাতীয় পশু হিসেবে সিংহ কে বাদ দিয়ে বাঘকে বেছে নেওয়া হয় কেন? ৯৯% মানুষ জানেন না

General Knowledge: আমরা ভারতবাসী হিসাবে আমাদের জাতীয় গান (National Song), জাতীয় পাখি (National Bird), জাতীয় সবজি (National Vegetable), জাতীয় পশু (National Animal of India) সম্পর্কে অবগত। যদি ফট করে প্রশ্ন…

Advertisements

General Knowledge: আমরা ভারতবাসী হিসাবে আমাদের জাতীয় গান (National Song), জাতীয় পাখি (National Bird), জাতীয় সবজি (National Vegetable), জাতীয় পশু (National Animal of India) সম্পর্কে অবগত। যদি ফট করে প্রশ্ন করা হয়, ভারতের জাতীয় পশুর নাম কী? তখন সবাই এক ডাকেই উত্তর দেবেন ‘বাঘ’ (Tiger)। তবে আপনি কি জানেন? কেন বাঘকে জাতীয় পশুর শিরোপা দেওয়া হয়েছে। আপনার কৌতূহলী মন থাকলে এই প্রশ্ন নিশ্চয়ই কখনও না কখনও আপনার মনে এসে থাকবে। এই উত্তরই এবার জেনে নেওয়া যাক।

অনেকেই জানেন না, বাঘের আগে ভারতের জাতীয় পশু সিংহ ছিল। ১৯৭৩ সাল এই মুকুট সিংহের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং বাঘকে দেওয়া হয়। বাঘের বৈজ্ঞানিক নাম হল ‘প্যান্থেরা টাইগ্রিস’ (Panthera Tigris)। এবার যদি প্রশ্ন করা, সিংহকে সরিয়ে বাঘকে ভারতের জাতীয় পশুর তকমা দেওয়া হল কেন? আপনি কি বলতে পারবেন? এই প্রশ্নের উত্তর জেনে থাকলে তো খুবই ভালো কথা। না জানলেও চিন্তা করবেন না, আপনার জন্য সঠিক তথ্য এই প্রতিবেদনে পেশ করা হয়েছে।

Advertisements

General Knowledge

(General Knowledge) বাঘকে জাতীয় পশু বলা হয় কেন?

বন্যপ্রাণী বোর্ড ১৯৬৯ সালে সিংহকে জাতীয় পশুর পরিচয় দেয়। ১৯৭৩ সালে এই মুকুট স্থানান্তরিত হয় বাঘের মাথায়। এর পিছনে কিছু বিশেষ কারণ আছে। মূলত বাঘের শক্তি, তৎপরতা ও দৃঢ়তা বিবেচনা করেই বাঘকে জাতীয় পশু হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।

General Knowledge

(General Knowledge) বাঘ সংক্রান্ত খুঁটিনাটি তথ্য:

১. প্রজাতি: বাঘ বিড়াল প্রজাতির মধ্যে আকারে সবচেয়ে বড়ো। পুরো পৃথিবী জুড়ে বাঘের মোট ৯টি প্রজাতির নাম (রয়েল বেঙ্গল, সুমাত্রান, ইন্দো-চাইনিজ়, সাউথ চায়না, সাইবেরিয়ান, আমুর, জাভা, কাস্পিয়ান, বালি) রয়েছে। বিগত ৮০ বছরে বাঘেদের ৩টি প্রজাতি (কাস্পিয়ান, বালি ও জাভা) ইতিমধ্যে বিলুপ্ত হয়ে গেছে এবং বাকি ৬টি প্রজাতির অস্তিত্ব এখনও আছে।
২. ওজন ও দৈর্ঘ্য: বাঘের সর্বোচ্চ ওজন ৩০০ কিলো পর্যন্ত হতে পারে। বাঘের সর্বাধিক দৈর্ঘ্য ১৩ ফুট হতে পারে।
৩. আয়ু: একটি বাঘ সর্বোচ্চ ১০-১৫ বছর বাঁচতে পারে।
৪. ডোরা কাটা দাগ: মানুষের হাতের আঙুলের ছাপের মতো বাঘের ডোরা কাটা দাগের ডিজাইনও অন্য বাঘের সঙ্গে মেলে না।
৫. দৃষ্টিশক্তি: বাঘ অন্ধকারেও দেখতে সক্ষম। মানুষের তুলনায় বাঘের ৬গুণ ভালো দৃষ্টিশক্তি রয়েছে।
৬. গর্জন: প্রায় ৩ কিমি পর্যন্ত বাঘের গর্জন শুনতে পাওয়া যায়।
৭. দৌড়ের গতিবেগ: একটা বাঘ সর্বোচ্চ ৬৫ কিমি/ ঘন্টা গতিবেগে দৌড়াতে পারে।
৮. খাদ্য গ্রহণের ক্ষমতা: একজন প্রাপ্তবয়স্ক বাঘ একটানে সর্বোচ্চ ৪০ কেজি মাংস খেতে সক্ষম।
৯. জাতীয় পশু: বাঘ ভারত ছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশে জাতীয় পশুর তকমা পেয়েছে।

সব আপডেট সময়ের আগে পেতে যুক্ত হন
Advertisements